রাত পোহালেই পবিত্র ঈদুল ফিতর। প্রিয়জনদের সঙ্গে ঈদ উদযাপন করতে শেষ মুহূর্তে ঘরমুখো মানুষের ঢল নেমেছে দৌলতদিয়া-পাটুরিয়া নৌরুটের দৌলতদিয়া ফেরি ঘাটে। ব্যক্তিগত যানবাহনের চাপও বেড়েছে, তবে যাত্রীদের তেমন কোনো ভোগান্তি ছাড়াই নদী পার হয়ে গন্তব্যে যেতে দেখা গেছে।
যাত্রীদের নির্বিঘ্ন যাত্রা
রবিবার (৩০ মার্চ) দৌলতদিয়া ৭ নম্বর ফেরি ঘাটে গিয়ে দেখা যায়, ২০ মিনিটের ব্যবধানে পাটুরিয়া থেকে তিনটি ফেরি সহস্রাধিক যাত্রী ও প্রায় ৩০০ মোটরসাইকেল ও প্রাইভেট কার নিয়ে আসে। যাত্রী ও যানবাহন ফেরি থেকে নেমে কোনো ধরনের দুর্ভোগ ছাড়াই নিজ নিজ গন্তব্যে পৌঁছাতে পারছে।
যাত্রীদের অভিজ্ঞতা
ফরিদপুরের বোয়ালমারীতে যাচ্ছেন গার্মেন্টস কর্মী আরিফ শেখ। তিনি বলেন, “শনিবার গার্মেন্টস ছুটি হয়েছে, আজ সকালে রওনা দিয়েছি। ঢাকা থেকে দৌলতদিয়া ফেরিঘাট পর্যন্ত কোনো সমস্যায় পড়তে হয়নি।”
একই অভিজ্ঞতা সেলিম রেজারও, যিনি একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে চাকরি করেন। তিনি জানান, “ঢাকা থেকে লোকাল বাসে পাটুরিয়া ঘাটে এসে ফেরিতে উঠেছি। এবার ঈদের যাত্রায় কোনো ভোগান্তি হয়নি।”
সুষ্ঠু যাতায়াত ব্যবস্থা ও নিরাপত্তা
দৌলতদিয়া ফেরি ঘাট শাখার ব্যবস্থাপক (বাণিজ্য) মো. সালাহউদ্দিন জানান, “যাত্রী ও যানবাহনের ভোগান্তি এড়াতে দৌলতদিয়া-পাটুরিয়া রুটে ছোট-বড় মিলিয়ে ১৭টি ফেরি চলাচল করছে।”
এছাড়া, রাজবাড়ীর পুলিশ সুপার মোছা: শামিমা পারভীন বলেন, “যাত্রীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে দৌলতদিয়া ফেরিঘাটে পুলিশের চার স্তরের নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। ছিনতাই রোধে বিশেষ অভিযান চালিয়ে একাধিক ছিনতাইকারীকে গ্রেপ্তার করে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।”