1. biswass443@gmail.com : Sumon Biswas : Sumon Biswas
  2. admin@rajbariexpress.com : Rajbari Express :
শুক্রবার, ০৪ এপ্রিল ২০২৫, ০৪:১১ অপরাহ্ন
  •                          

রাজবাড়ী এক্সপ্রেস ইপেপার

ঘোষণা:
জাতীয় অনলাইন গনমাধ্যম নীতিমালা আইনে তথ্য মন্ত্রণালয় কর্তৃক নিবন্ধন আবেদিত।

রাজবাড়ী‌তে  গ্রাম‌্য সা‌লি‌শে প্রতিপ‌ক্ষের হামলা, আহত ২০

রিপোর্টার
  • আপডেট সময় : রবিবার, ৯ মার্চ, ২০২৫
  • ৮ মোট পাঠক
রাজবাড়ী‌তে  গ্রাম‌্য সা‌লি‌শে প্রতিপ‌ক্ষের হামলা, আহত ২০


নিজস্ব প্রতিবেদক: রাজবাড়ীর বালিয়াকান্দিতে উপজেলার উপ‌জেলার নারুয়া ইউ‌নিয়‌নে গ্রাম‌্য সা‌লি‌শে প্রতিপ‌ক্ষের হামলায় ২০ জন আহত হ‌য়ে‌ছে। রোববার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে নারুয়া ইউনিয়নের বিলটাকাপোড়া ঈদগাহ ময়দানে এ ঘটনা ঘটে।
আহতদের মধ্যে ১২ জন ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ও ৪ জন বালিয়াকান্দি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি রয়েছেন। বাকিরা বালিয়াকান্দি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে থে‌কে প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়ে বাসায় ফি‌রে‌ছেন।
হামলায় আহতরা হলেন স্থানীয় বিএনপি নেতা আলমগীর হোসেন মোল্লা, তার ছেলে রাশিদুল ইসলাম, দুই ভাই যথাক্রমে হুমায়ুন কবির ও মোহাম্মদ বাচ্চু মিয়া, ফরহাদ হোসেন, সবুর শিকদার, বাবলু মন্ডল, ইমান আলী মন্ডল, আব্দুর রহিম মাস্টার, তুহিন মোল্লা, ইলিয়াস সিকদার, আশরাফ সিকদার, জিল্লু সিকদার, জাহিদ হোসেন ও নাসির।
স্থানীয় সূত্র জানায়, নারুয়া ইউনিয়নের বিলটাকাপোড়া গ্রামটি দুটি ধারায় বিভক্ত। সম্প্রতি কিছু ঘটনায় দুই পক্ষের দ্বন্ধ প্রকট আকার ধারণ করে। সেসব মীমাংসার জন্য বিলটাকাপোড়া ঈদগাহ ময়দানে সালিশে বসে দুই পক্ষ। সালিশ বোর্ড গঠন করার সময় হঠাৎ ওহাব মন্ডলের লোকজন হামলা চালায়।
স্থানীয় বাসিন্দা ফরিদপুর সিটি কলেজের শিক্ষক মাহবুবুর রহমান জানান, গ্রামে দুটি পক্ষের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরেই বিরোধ চলছে। আলমগীর হোসেনের লোকজন স্থানীয় মসজিদে নামাজ পড়তে গেলেও বাধা দেয় প্রতিপক্ষ। যেকারণে নতুন একটি মসজিদ নির্মাণ করা হয়েছে। এছাড়া আরও কিছু সমস্যা রয়েছে। এসব সমস্যা সমাধান করতে সালিশের আয়োজন করা হয়। সাড়ে ১০টার দিকে সালিশ শুরু হয়। সালিশে উপজেলা বিএনপির সভাপতি শওকত মৃধা, বিএনপি নেতা মশিউল আযম চুন্নুসহ উপজেলার ১০ জন নেতা উপস্থিত ছিলেন। বেলা সাড়ে ১১টার দিকে সালিশ বোর্ড গঠনের সময় প্রতিপক্ষের লোকজন ধর ধর বলে হামলা চালায়।
বালিয়াকান্দি উপজেলা বিএনপির সভাপতি শওকত মৃধা বলেন, সালিশে আমরা উপজেলা থেকে বিএনপির কয়েকজন গিয়েছিলাম। সবই ঠিক ছিল। শেষ মুহূর্তে গিয়ে ঝামেলা হলো। আমরা চেয়েছিলাম সীমিত সংখ্যক লোক নিয়ে সালিশ করতে। ওখানে আমজনতা উপস্থিত হয়ে উস্কানী দিয়ে আলমগীর হোসেনের লোকদের মারধর করে। অবস্থা বেগতিক দেখে পুলিশকে জানিয়ে আমরা নিরাপদে চলে আসি। আমরা চেয়েছিলাম শান্তিশৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনতে। সেটা আর হলোনা। পরিস্থিতি এখন শান্ত। তবে আবারও সংঘর্ষের আশঙ্কা প্রকাশ করেন তিনি।
বালিয়াকান্দি উপজেলা বিএনপি নেতা মশিউল আযম চুন্নুর সাথে মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি এ বিষয়ে কথা বলতে রাজী হননি।
বালিয়াকান্দি থানার ওসি (তদন্ত) আব্দুল্লাহ আল  মামুুন জানান, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। এখনও পুলিশ সেখানে অবস্থান করছে। এ ঘটনায় কেউ অভিযোগ দেয়নি। 

শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ধরণের আরও খবর
© All rights reserved Rajbari Express © 2025 এই নিউজ পোর্টালের কোন লেখা, ছবি, ভিডিও অথবা অডিও অনুমতি ছাড়া ব্যাবহার বে-আইনি।