রাজবাড়ীর পাংশা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে এমএসআর (মেডিকেল ও সার্জিক্যাল রিকোয়ারমেন্ট) কাজের টেন্ডারে অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় পাংশা উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য সচিব মো. খোকন মিয়া জেলা সিভিল সার্জনসহ সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলোতে লিখিত অভিযোগ জমা দিয়েছেন।
অভিযোগের মূল বিষয়
খোকন মিয়া অভিযোগ করেন, সরকারি নিয়মনীতি অনুসরণ না করে, নিম্নমানের পণ্য ক্রয় ও অনুপযুক্ত ঠিকাদার নিয়োগ করা হয়েছে। স্বজনপ্রীতির মাধ্যমে বিশেষ সুবিধাপ্রাপ্ত ব্যক্তিকে কাজ দেওয়া হয়েছে, যা সরকারি নিয়মের পরিপন্থী।
তিনি আরও বলেন, “আমি যে লাইসেন্স দিয়ে টেন্ডারে অংশ নিয়েছিলাম, সেটি ‘ফার্স্ট লোয়েস্ট’ হওয়া সত্ত্বেও আমাকে কাজ দেওয়া হয়নি। অথচ কিসের বিনিময়ে ‘সেকেন্ড লোয়েস্ট’ দরদাতাকে কাজ দেওয়া হলো, তা আমরা জানি না। এখানে দুর্নীতি ও স্বজনপ্রীতির মাধ্যমে পছন্দের ঠিকাদারকে কাজ দেওয়া হয়েছে বলে জানতে পেরেছি।”
স্বাস্থ্য কর্মকর্তার বক্তব্য
এ বিষয়ে পাংশা উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. এবাদত হোসেন বলেন, “প্রথম লোয়েস্ট দরদাতার কাগজপত্র ঠিক না থাকায় দ্বিতীয় জনকে কাজ দেওয়া হয়েছে। এটি সম্পূর্ণ অনলাইনভিত্তিক প্রক্রিয়া, আমাদের কোনো হাত নেই।”
এই অভিযোগের কপি প্রতিবেদকের কাছে সংরক্ষিত রয়েছে বলে জানা গেছে।