1. njnaimofficial@gmail.com : Naim Sheikh : Naim Sheikh
  2. biswass443@gmail.com : Sumon Biswas : Sumon Biswas
  3. admin@rajbariexpress.com : Rajbari Express :
শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০:১৪ অপরাহ্ন
  •                          

রাজবাড়ী এক্সপ্রেস ইপেপার

ঘোষণা:
জাতীয় অনলাইন গনমাধ্যম নীতিমালা আইনে তথ্য মন্ত্রণালয় কর্তৃক নিবন্ধন আবেদিত।

অবহেলায় পড়ে আছে লাখ লাখ টাকার জেনারেটর, বিদ্যুৎ না থাকলে ব্যাহত ল্যাব-ক্লাস

ববি প্রতিনিধি
  • আপডেট সময় : বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
  • ১৩ মোট পাঠক

বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ে (ববি) চার ভবনে অবহেলায় পড়ে আছে লাখ লাখ টাকার জেনারেটর। গত প্রায় এক দশক ধরে জেনারেটরগুলো কখনোই চালানো হয়নি। এদিকে জাতীয় গ্রিডের বিদ্যুৎ চলে গেলে অচল হয়ে পড়ে ল্যাবরেটরির কাজ ও শ্রেণিকক্ষের পাঠদান, অন্যদিকে লো-ভোল্টেজের কারণে নষ্ট হচ্ছে কোটি কোটি টাকার ল্যাব সরঞ্জাম। তবুও সচল করার কোনো উদ্যোগ নেই বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের।

বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা যায়, ২০১৬ সালের শুরুর দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের নতুন ভবনগুলো নির্মাণের সময় শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তর এই চারটি জেনারেটর স্থাপন করে দিয়েছিল। জেনারেটর গুলোর আনুমানিক মূল্য ১৫ থেকে ১৬ লাখ টাকা। স্থাপনের পর প্রথম কয়েকদিন পরীক্ষা-নিরীক্ষার জন্য চালানো হলেও পরবর্তীতে আর এগুলো চালু করা হয়নি।সেই ধরে পড়ে আছে জেনানেটরগুলো।

সরজমিনে গিয়ে দেখা যায়, জং ধরে মরিচা পড়ছে গেছে জেনানেটরেগুলোতে , রুমের তালা জং ধরেছে।যা দেখে মনে হয় বছরের পর বছর ধরে তা খোলাই হয়নি।

বর্তমানে বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে বিদ্যুৎ সংকট ও লো-ভোল্টেজের সমস্যা নিত্যদিনের ঘটনা। শিক্ষার্থীরা জানান, সামান্য বিদ্যুৎ ঘাটতি হলেই পুরো একাডেমিক ভবনে বিদ্যুৎ চলে যায়। হাই-টেক ল্যাবগুলোতে বিদ্যুৎ না থাকলে গুরুত্বপূর্ণ গবেষণা ও প্র্যাকটিক্যাল কাজ বন্ধ রাখতে হয়। শুধু তা-ই নয়, প্রতিনিয়ত লো-ভোল্টেজের কারণে শ্রেণিকক্ষ ও ল্যাবের ফ্যান-লাইট ধীরগতিতে চলে এবং কোটি কোটি টাকা দিয়ে কেনা সংবেদনশীল ল্যাব সরঞ্জাম নষ্ট হওয়ার ঝুঁকিতে পড়েছে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের এক কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে করে বলেন, “গত ১০ বছরে এই জেনারেটরগুলো একদিনের জন্যও চালু হতে দেখিনি।এভাবেই পড়ে থেকে নষ্ট হচ্ছে।”

বিশ্ববিদ্যালয়ের কম্পিউটার বিজ্ঞান ও প্রকৌশল বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. রাহাত হোসেন ফয়সাল বলেন, আমাদের অনেক ইস্ট্রুমেন্ট আছে যে গুলো বিদুৎয়ের উঠানামার কারণে সেগুলো নষ্ট হয়ে যায়।এ কারণে আগেও অনেক যত্নপাতি নষ্ট হয়ে গেছে। আমরা সবাই জানি, কিছু কিছু যন্ত্রপাতি আমাদের আছে যেগুলো খুবই সেনসেটিভ।

নির্বাহী প্রকৌশলী মামুন অর রশীদ জেনারেটরগুলো নষ্ট নয় দাবি করে বলেন, “জেনারেটরগুলো ভালো আছে, তবে পড়ে রয়েছে দীর্ঘদিন। এগুলো রক্ষণাবেক্ষণ বা পরিচালনার দায়িত্ব এস্টেট শাখার। কর্তৃপক্ষ আমাকে এগুলো রক্ষণাবেক্ষণ বা চালু করার কোনো নির্দেশ দেয়নি। চাবি কোথায় আছে তা দেখতে হবে।” তিনি আরও জানান, বর্তমানে কেবল লাইব্রেরি, ভিসি ভবন ও ভিসি কার্যালয়ে তিনটি আলাদা জেনারেটর ব্যবহার করা হচ্ছে।

এবিষয়ে এস্টেট শাখার প্রশাসনিক কর্মকর্তা মো: হারুন অর রশীদ বলেন, এগুলো আমরা দেখি না।ইন্জিনিয়ার শাখা দেখার কথা এ কাজ গুলো। আমাদের কাছে চাবিও নাই।

বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-প্রধান প্রকৌশলী মুরশিদ আবেদীন বলেন, “এই জেনারেটরগুলো আমরা সরাসরি ক্রয় করিনি, শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তর ভবন হস্তান্তরের সময় দিয়েছিল। হস্তান্তরের পর কিছুদিন চালু থাকলেও পরে আর চালানো হয়নি। বর্তমানে জেনারেটরের চাবি কোথায় আছে, তাও আমাদের জানা নেই; এস্টেট অফিসে খোঁজ নিলে পাওয়া যেতে পারে। তবে জেনারেটরগুলো এখনো সচল করা সম্ভব। এক একটি চালু করতে হয়তো দেড় থেকে দুই লাখ টাকা খরচ হতে পারে।”

শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ধরণের আরও খবর

© All rights reserved Rajbari Express © 2025

এই নিউজ পোর্টালের কোন লেখা, ছবি, ভিডিও অথবা অডিও

অনুমতি ছাড়া ব্যাবহার বে-আইনি।