ঐতিহাসিক জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস যথাযোগ্য মর্যাদায় উদযাপনের লক্ষ্যে পাবনার ঈশ্বরদীতে ব্যাপক ও বড় পরিসরে প্রস্তুতি গ্রহণ করা হয়েছে। দিবসটিকে কেন্দ্র করে স্থানীয় বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীসহ সাধারণ মানুষের মাঝে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা লক্ষ্য করা গেছে।
ঈশ্বরদীর স্থানীয় রাজনীতিতে সক্রিয় তরুণ ও জনবান্ধব নেতা, উপজেলা চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী (প্রত্যাশী) তানভীর হাসান সুমনের বলিষ্ঠ নেতৃত্বে ঈশ্বরদীর বিভিন্ন রাজনৈতিক ও সামাজিক অঙ্গনের নেতাকর্মী এবং সাধারণ মানুষ আজ এক প্ল্যাটফর্মে ঐক্যবদ্ধ।
দিবসটি উপলক্ষে আয়োজিত এক প্রস্তুতি সভায় তানভীর হাসান সুমন বলেন, “১৯৭৫ সালের ৭ই নভেম্বর সিপাহী-জনতার ঐক্যবদ্ধ বিপ্লবের মধ্য দিয়ে দেশ এক গভীর সংকট থেকে রক্ষা পেয়েছিল। শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের দূরদর্শী নেতৃত্ব এবং কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র থেকে তাঁর ঐতিহাসিক স্বাধীনতার ঘোষণা তৎকালীন দিশেহারা বাঙালি জাতিকে মুক্তির পথ দেখিয়েছিল।”
তিনি আরও উল্লেখ করেন, বর্তমান প্রেক্ষাপটে সব ধরনের অন্যায়, অত্যাচার ও নিপীড়নের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়িয়ে একটি শান্তিময় বাংলাদেশ বিনির্মাণে শহীদ জিয়ার আদর্শে অনুপ্রাণিত হয়ে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে।
বক্তব্যে দলীয় নীতি ও অনুশাসনের ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করে তানভীর হাসান সুমন বলেন, “আমরা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের রাজনীতি করি, আর এই দলকে বেগম খালেদা জিয়া লালন-পালন করে গেছেন। এই দলের আদর্শ ও সিদ্ধান্ত মেনেই রাজনীতি করতে হবে, এর বাইরে অন্য কোনো পথ নেই।”
সভায় বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা হাবিবুর রহমান হাবিব বলেন, “যারা বিগত দিনে ভুল করেছেন কিংবা ধানের শীষে ভোট দেননি, তাদের বিষয়ে দল শিথিলতা দেখাবে না এবং দেশের জনগণও তাদের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তুলবে।”
প্রস্তুতি সভা থেকে ঈশ্বরদী এলাকাকে সুন্দর ও সুরক্ষিত রাখার অঙ্গীকার ব্যক্ত করা হয়। সুমনের নেতৃত্বে ঈশ্বরদীকে মাদকমুক্ত ও সন্ত্রাসমুক্ত করার দৃঢ় প্রত্যয় প্রকাশ করে জানানো হয়, যুবসমাজকে ধ্বংসের হাত থেকে রক্ষা করতে মাদক ও সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি বাস্তবায়ন করা হবে।
স্থানীয় সর্বস্তরের জনগণ এবং নেতাকর্মীরা সুমনের এই রাজনৈতিক ও সামাজিকভাবে কল্যাণমুখী উদ্যোগকে আন্তরিক সাধুবাদ জানিয়েছেন।
© All rights reserved Rajbari Express © 2025
এই নিউজ পোর্টালের কোন লেখা, ছবি, ভিডিও অথবা অডিও
অনুমতি ছাড়া ব্যাবহার বে-আইনি।